নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের কমিটি থেকে কেন বাদ গেলো প্রধান বিচারপতি, গুরুতর প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রকে চরম নিশানা রাহুল গান্ধীর
বেস্ট কলকাতা নিউজ : আলোচনার বিষয় ছিল, সার্বিক নির্বাচনী সংস্কার। কিন্তু আদতে তা দাঁড়িয়ে গেল এসআইআর। স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন। এমনকি বিজেপির বক্তা বিহারের সাংসদ সঞ্জয় জয়সওয়ালও সমানে বলে গেলেন এসআইআর নিয়েই। ফলে প্রাথমিকভাবে বিরোধীরা এই আলোচনায় নিজেদের জয়ই দেখছে। বিরোধীদের দাবি মেনেই সরকার সংসদে নির্বাচনী সংস্কার নিয়ে আলোচনায় রাজি হয়েছে। সেখানেই একদিকে যেমন কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী, মণীশ তিওয়ারি, সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদবরা সরকারের তুলোধোনা করেছে। একইভাবে বাংলার এসআইআর প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সরাসরি বিজেপিকে বাংলা, বাঙালি বিদ্বেষী বলেই তোপ দাগলেন তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিকে রাহুলগান্ধী তোপ দেগে বলেন ভোট চুরি করেই জিতছে বিজেপি। কেন মোদি সরকার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য কমিশনারের নিয়োগের কমিটি থেকে প্রধান বিচারপতিকে বাদ দিল? তাহলে কি প্রধান বিচারপতিকে বিশ্বাস করে না সরকার? রাহুলগান্ধীর আরও প্রশ্ন, ইভিএমের মধ্যে কী আছে, তা কেন বিশেষজ্ঞদের দেখতে দেওয়া হয় না? কেন ইভিএম আড়াল করতে মরিয়া সরকার ? ইভিএমের মাধ্যমে ক্রমাগত ভোটচুরি করছে বিজেপি। এদিকে কংগ্রেস নেতা মণীশ তিওয়ারির মন্তব্য, নির্বাচনী সংস্কার যদি প্রকৃতই কেউ করে থাকেন, তার নাম রাজীব গান্ধী। যিনি ভোটাদানের ন্যূনতম বয়স ২১ বছর থেকে কমিয়ে ১৮ বছর করেছিলেন। আর এখন যে এসআইআর হচ্ছে, সেটি বেআইনি। বাংলা সহ আগামী বছর যেসব রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন আছে, সেখানে ইভিএম বাতিল করে পেপার ব্যালটে ভোটের দাবি করেন তিনি। যা সমর্থন করেন অখিলেশ যাদবও।

