জলের লাইন পাততে চলছে খোঁড়াখুঁড়ির কাজ, এক মাস ধরে চরম বেহাল দশা আহিরীটোলা স্ট্রিটের
বেস্ট কলকাতা নিউজ : একেই অপরিসর রাস্তা। তার উপর রাস্তার এক ধারে বসে বাজার। নিয়মিত যাতায়াত করে অটো, বিভিন্ন ছোটো গাড়ি। এই অবস্থায় জলের পাইপলাইনের কাজের জন্য খোঁড়াখুঁড়ি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে রাস্তার অবস্থা আরও বেহাল হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, জলের কাজ শেষ হওয়ার পর মাসখানেক হতে চলল, আহিরীটোলা স্ট্রিট পড়ে রয়েছে একই অবস্থায়। নতুন করে পড়েনি পিচের প্রলেপ। চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নিত্যযাত্রী ও এলাকার বাসিন্দাদের।

উল্টোডাঙা, শোভাবাজার, বি কে পাল অ্যাভিনিউ থেকে আহিরীটোলা মোড় হয়ে আহিরীটোলা স্ট্রিট ধরেই নিমতলা ও লঞ্চঘাটে পৌঁছানো যায়। আহিরীটোলা লঞ্চঘাটের যাত্রীরা নিয়মিত ব্যবহার করেন এই রাস্তা। হেঁটে হোক কিংবা অটোতে, আহিরীটোলা স্ট্রিট ব্যবহার করতে হয় বহু মানুষকে। অপ্রশস্ত রাস্তার এক ধারে সকালের দিকে যে বাজার বসে, তা চলে অনেক বেলা পর্যন্ত। এই রাস্তার ধারে সাবেকি কিছু বাড়িতে রয়েছে গুদামঘর। ফলে নিয়মিতি সেখানে ছোটো মালবাহী গাড়ির যাতায়াত লেগে রয়েছে। ব্যস্ত অটো রুট তো আছেই। এহেন একটি রাস্তা দিনের পর দিন বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকায় ভুগতে হচ্ছে বহু মানুষকে।
এলাকার বাসিন্দারা জানান, মাসখানেক আগে রাস্তায় জলের পাইপলাইন পাতা হয়। সেই কাজ হয়ে যাওয়ার পর মাটি দিয়ে গর্ত বোজানো হয়েছে। কিন্তু তাতে রাস্তার হাল ফেরেনি। রাস্তা বরাবর যেখানে নীচ দিয়ে জলের লাইন গিয়েছে, সেখানে রাস্তা উঁচু হয়ে রয়েছে। উঠে গিয়েছে পিচের আস্তরণ। অটো চালক দুলাল ভৌমিকের কথায়, ‘সেই কবে রাস্তা কেটেছে। পাইপলাইন বসানো হয়ে গিয়েছে। তারপর থেকে রাস্তাটা আর ঠিক করেনি। নতুন করে গোটা রাস্তা মেরামতি দরকার। অটো চালানো রিস্ক হয়ে গিয়েছে এখন।’ এদিকে নিত্যদিন এই পথ ধরে আহিরীটোলা লঞ্চঘাটে যায়াতায় করেন খান্নার বাসিন্দা শুভ্রা ভদ্র। তিনি বলেন, ‘হাঁটতে গেলে হোঁচট খেতে হয়। আর অটোতে উঠলে ঝাঁকুনির ফলে সারা শরীর কাঁপতে থাকে। দুর্বিষহ যাত্রা। ছোটো রাস্তা হলেও এই রাস্তা খুব গুরুত্বপূর্ণ।’

