বিশ্বভারতীতে উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ওপার বাংলার সঙ্গে সুসম্পর্কে আশাবাদী পড়ুয়ারা

বাংলার খবর | বেস্ট কলকাতা নিউজ

বেস্ট কলকাতা নিউজ : বিশ্বভারতীতে উদযাপিত হল আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস। নতুন সরকার গঠনের পর ভারত-বাংলাদেশ সুসম্পর্ক নিয়ে আশাবাদী বিশ্বভারতীর উপাচার্য থেকে বাংলাদেশি পড়ুয়ারা ৷ দ্রুত পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হবে শান্তিনিকেতনে বাংলাদেশ ভবনের সংগ্রহশালা, জানান বিশ্বভারতীর উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষ। ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি…’ গানের মধ্য দিয়ে পদযাত্রা করেন অধ্যাপক-পড়ুয়ারা ৷উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষ বলেন, “মাতৃভাষা দিবসে একটাই কথা বলব সব বিপন্নপ্রায় ভাষা বেঁচে থাকুক ৷ এটাই আমাদের অঙ্গীকার। আমাদের বিশ্বভারতীতে বহু ভাষাভাষীর পড়ুয়ারা পড়াশোনা করেন ৷ একসঙ্গে থাকেন ৷ বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠন হয়েছে। আশা করি, সুসম্পর্ক হবে। আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে হেরিটেজ ওয়াকের মতো বাংলাদেশ ভবনের মিউজিয়াম পর্যটকদের জন্য খুলে দেব ৷”

উল্লেখ্য , ১৯৪৭ সাল থেকে বাংলাদেশে শুরু হয় ভাষা আন্দোলন, যা চরমে পৌঁছয় ১৯৫২ সালে। সেই সময়, ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার জন্য পথে নামেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা ৷ নির্বিচারে তাঁদের উপর গুলি চালায় পুলিশ। রক্তাক্ত হয় রাজপথ ৷ তারপর থেকে ভাষার জন্য শহিদদের স্মরণে এই দিনটি পালিত হয় ‘ভাষা দিবস’ হিসেবে ৷ পরে মেলে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ৷ ২০১০ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে রাষ্ট্রসংঘ। প্রতি বছর বিশেষ এই দিনটি উদযাপিত হয় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশ্বভারতীতে ৷ এবারও তার অন্যথা হল না ৷ ‘মোদের গরব মোদের আশা আ মরি বাংলা ভাষা…’, ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি…’, ‘বাংলার মাটি বাংলার জল…’, ‘আমি বাংলায় গান গাই…’ প্রভৃতি গানে গানে উদযাপিত হল মাতৃভাষা দিবস। প্রথমে গানে গানে পদযাত্রা করেন পড়ুয়া, অধ্যাপক-অধ্যাপিকারা ৷ পরে আন্তর্জাতিক বাংলাদেশ ভবনে শহিদ বেদীতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষ-সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *