“যতটুকু পেরেছি চেষ্টা করে গেছি, মানুষের মনে একটা চিন্তা ছিল এস আই আর কে নিয়ে”- এমনটাই জানালেন শিলিগুড়ির ওর্য়াড কাউন্সিলর শ্রাবণী দত্ত

বাংলার খবর | বেস্ট কলকাতা নিউজ

শিলিগুড়ি : এস আই আর মানুষকে চরম বিব্রত এবং বিভ্রান্ত করে দিয়েছে। একের পর এক হেয়ারিংয়ের ডাক যাদের এসেছে তারা ঠিক মতো বুঝতেই পারছে না কোনটা করা উচিত কোনটা করা উচিত নয়। অনেকেই আবার কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন তারা অনেকটা অবগত। তবে যারা পড়াশোনা বেশি করেননি তারা আতঙ্ক এবং আশঙ্কা নিয়ে চলছেন। এস আই আর মানে নাগরিকত্বের প্রশ্ন চিহ্ন, তাই নাগরিকদের মধ্যেও একটা টেনশন ছিল। অনেকেই ভেবেছেন ২০০২ সালে যদি নাম না থাকে, আর যদি তাদের বাবা মায়ের নাম না থাকে ঠিক কি কি হতে পারে? তাড়াহুড়ো করে অনেকেই যেরকম সেরকম ভাবে কাগজপত্র নিয়ে দৌড়ে আসছেন বি এল ওর কাছে। আমরা যতদূর পারব চেষ্টা করে যাবো, এমনটাই জানালেন শ্রাবণী দত্ত।

তার কথায়, যারা দিনের পর দিন অফিসে বসে একের পর এক কাগজপত্র ঘেঁটে সমস্ত কিছু বের করছেন। আর যারা যারা আসছেন মাথায় একরাশ চিন্তা নিয়ে , তাদেরকে চিন্তামুক্ত করার দায়িত্ব আমার। তিনি আরো জানান আমার সাথে অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন আমার সহকর্মীরা। তাদেরকেও আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। প্রচুর মানুষ এসেছেন আবার ফিরে গেছেন। আমি আমার তরফ থেকে, যতটুকু করা সম্ভব করে যেতে চেষ্টা করছি। শ্রাবণী দত্ত এও বলেন এস আই আর কে নিয়ে মানুষের যে আশঙ্কা ছিল , সেটা আমাদের অফিসে এসে বসলেই বুঝতে পারা যাবে। তবুও মানুষ অনেকটাই স্বস্তিতে গেছেন, আমরা তাদের বুঝাতে সফল হয়েছি যে এস আই আর কে নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ঠিকমতো কাগজপত্র দেখাতে পারলেই সব ঠিক হয়ে যাবে বলেও জানান শিলিগুড়ির ১৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শ্রাবণী দত্ত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *