ফের থ্রেট কালচারের অভিযোগ উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে, তুমুল বিক্ষোভ ও প্রতিবাদে সামিল হল পড়ুয়ারা
বেস্ট কলকাতা নিউজ : ফের একবার থ্রেট কালচারের অভিযোগ উঠল উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। শুধু তাই নয়, কোনও নির্বাচন ছাড়াই থ্রেট কালচারে অভিযুক্তদের অনৈতিকভাবে ক্লাস রিপ্রেজেনটেটিভ বা সিআর ও হস্টেল মনিটর করার অভিযোগ উঠল কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ৷ বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই পড়ুয়াদের আন্দোলনে উত্তাল উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের ক্যাম্পাস। এদিকে কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল সঞ্জয় মল্লিককে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান ডাক্তারি পড়ুয়ারা। ঘটনায় এদিন হাসপাতাল চত্ত্বরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। যদিও এই বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল ৷

এর আগেও আরজি করের ঘটনার সময়ও উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে থ্রেট কালচারের বিষয়টি উঠে এসেছিল ৷ কলেজে কলেজে থ্রেট কালচারের জোরালো প্রতিবাদ সাড়া ফেলেছিল সারা রাজ্যে ৷ আন্দোলনের চাপে পরে তৎকালীন কলেজের ডিন ও সহকারি ডিনকে পদ থেকে সাসপেন্ড করা হয়। পাশাপাশি থ্রেট কালচারে অভিযুক্ত আট পড়ুয়াকেও কলেজ হস্টেল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল ৷ সেই ঘটনার পর শান্তি ফিরেছিল মেডিক্যাল কলেজে ৷ কিন্তু ফের একবার থ্রেট কালচারের অভিযোগ ওঠায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে ৷
আরোও জানা গিয়েছে, আগে যাতে পঠনপাঠন ভালোভাবে চলে তার জন্য কলেজের ফাইনাল সেমিস্টারের পড়ুয়ারা নিজেদের মধ্যে নির্বাচন করে সিআর ও হস্টেল মনিটর ঠিক করেছিল ৷ অথচ সেই বিষয়কে কোন গুরুত্ব না-দিয়ে আচমকা একটি নোটিশ জারি করে কলেজের চার জন সিআর ও তিন বয়েজ এবং তিন গার্লস হস্টেলের মনিটর কোনরকম নির্বাচন ছাড়াই নিযুক্ত করেছেন কলেজের প্রিন্সিপাল ৷ এমনকী ওই বিষয়ে পড়ুয়া কিংবা বিভাগীয় প্রধানের মতামত গ্রহণ করা হয়নি। পাশাপাশি যাঁদের ওই পদ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের অধিকাংশই থ্রেট কালচারে অভিযুক্ত ৷ এঁদের মধ্যে যাঁদের হস্টেল মনিটর করা হয়েছে, তাঁদের আবার বেশিরভাগই হস্টেলে থাকে না। আর এসবের বিরুদ্ধেই এদিন বিক্ষোভ দেখান পড়ুয়ারা।

