নাম না উঠলে সব দলের প্রবেশ নিষেধ গ্রামে ! মঙ্গলকোটের গ্রামে এমনি ব্যানার পড়লো মহিলাদের তরফে
বেস্ট কলকাতা নিউজ : বৈধ ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে নাম! তাই প্রতিবাদে স্থানীয় মহিলারা গ্রামে সতর্কীকরণ পোস্টার টাঙালেন। যাতে জানানো হয়েছে যতদিন না ভোটার তালিকায় নাম সংশোধন হবে, ততদিন গ্রামে দলমত নির্বিশেষে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে । সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে নজিরবিহীন এই ঘটনার সাক্ষী থাকলো মঙ্গলকোটের চাকদা গ্রাম। জানা গেছে একটি বা দু’টি নয়, গ্রামে বেশির ভাগ ভোটারেরই নাম বাদ দেওয়া হয়েছে সাপ্লিমেন্টারি তালিকায়। কারও আবার বাবা ও মায়ের নাম রয়েছে তালিকায় অথচ তাঁদের দুই ছেলের নাম নেই! আবার কারও স্ত্রীর নাম থাকলেও বাদ গিয়েছে স্বামীর নাম। এমনকি কোনো ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী দু’জনের নামও বাদ গিয়েছে।

কাজেই বৈধ ভোটার তালিকা দেখেই ক্ষোভে ফেটে পড়ছে গোটা গ্রাম। প্রত্যেকের বক্তব্য, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিকের শংসাপত্র রয়েছে। বংশ পরম্পরায় ভারতের নাগরিক। ২০০২ সালের তালিকায় রয়েছে নাম। তবুও নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এরই প্রতিবাদে মূলত এককাট্টা হয়েছে চাকদা গ্রাম। তাঁদের ধারণা, যতদিন না নাম সংশোধন হচ্ছে, ততদিন বাসিন্দারা কেউ গণতন্ত্রের উৎসবে শামিল হবেন না। যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁরাও প্রতিবাদে শামিল হয়েছেন।
মূলত চাকদা গ্রামে ঢোকার মুখে ক্লাব ঘরে, খেজুরগাছে সর্বত্রই সতর্কীকরণ পোস্টার টাঙানো রয়েছে। গ্রামের সীমানায় রয়েছে কড়া পাহারা। যাতে কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা, কর্মীরা সেখানে ঢুকতে না পারেন। চাকদা গ্রামে একটি বুথ রয়েছে। ৫৩ নম্বর বুথে মোট ভোটার ৭২৮ জন। তার মধ্যে শুনানি হয়েছিল ২৩৬ জনের। পরে দু’শো জনের নাম বাতিল হয়েছে। পাশের পালিগ্রামের বরুলিয়াতেও এই ঘটনা ঘটে। সেখানেও ১২১ জনের নাম বাদ গিয়েছে।

