অবশেষে গ্যাস সিলিন্ডার সংকটের আঁচ এসে পড়লো হাসপাতালের ক্যান্টিনগুলিতেও

বাংলার খবর | বেস্ট কলকাতা নিউজ

বেস্ট কলকাতা নিউজ : পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে তেল ও গ্যাস সরবরাহের উপর। দাম বেড়েছে গ্যাস সিলিন্ডারের। নেই পর্যাপ্ত সাপ্লাই। অনলাইনে নতুন বুকিংও করা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ। এদিকে স্টক সিলিন্ডারও প্রায় শেষ। এই সব কিছুরই প্রভাব এবার পড়তে শুরু করেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের হাসপাতাল ও ক্যান্টিনগুলিতে। শুক্রবার থেকেই ডেবরা হাসপাতালের হেঁশেলে গ্যাসের সংকট দেখা দেবে বলে জানিয়েছেন স্বসহায়ক গোষ্ঠীর রাঁধুনিরা।

খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতাল, মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এখনো গ্যাসের সংকট দেখা দেয়নি। তবে, আগাম সতর্কতা হিসাবে জেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতাল চত্বরে থাকা পুরসভার মা ক্যান্টিনে বৃহস্পতিবার থেকেই গ্যাসের সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন এক কর্মী। সেই সঙ্গে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধির কারণে আগামী দিনে মাত্র পাঁচ টাকায় পেটভর্তি দুপুরের খাবার দেওয়ার ক্ষেত্রেও সমস্যা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ওই কর্মী। যদিও, প্রতিটি ক্ষেত্রেই জেলা প্রশাসনের তরফে আশ্বস্ত করা হয়েছে। জানা গেছে ডেবরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ২০০ জন রোগীর রান্না করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা। বৃহস্পতিবার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যা মৌসুমি মান্না বলেন, রোগীদের রান্নার জন্য প্রতিদিন দু’টি বড় গ্যাস সিলিন্ডার লাগে। যা স্টক ছিল, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ভালোভাবেই হয়ে গিয়েছে।

মূলত , মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর ব্যাপক চাপ রয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৮০০ রোগীর রান্না হয়। সেই সঙ্গে রোগীদের দুধ ও ডিম সিদ্ধ দেওয়া হয় টিফিনে। রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার যা মজুত রয়েছে, তাতে আগামী দু’-একদিন চলে যাবে বলে জানিয়েছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার এক কর্মী। তিনি আরও বলেন, গ্যাসের সমস্যার বিষয়টি হাসপাতাল সুপারকে জানানো হয়েছে। মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সুপার ইন্দ্রনীল সেন এও বলেন, এখনও সংকট দেখা দেয়নি। তবে, আগাম সতর্কতা হিসাবে আমরা ইতিমধ্যেই জেলাশাসককে চিঠি দিয়েছি। আমাদের ক্যান্টিনগুলির বিষয়েও জানানো হয়েছে। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকারিক সৌম্যশঙ্কর ষড়ঙ্গী বলেন, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কোথাও কোনো সমস্যা হয়নি। এখনই আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। আমরা পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *