কর্পোরেশনের নতুন বিজ্ঞাপন নীতিতে এক বিরাট সাফল্য ! আয় বাড়ল তিনগুণ , কমবে দৃশ্য দূষণ এর পরিমাণও
বেস্ট কলকাতা নিউজ : দীর্ঘ টালবাহানার পর গত বছরেই চূড়ান্ত হয়ছে কলকাতা কর্পোরেশন নতুন বিজ্ঞাপন নীতি। ইতিমধ্যে সেই নীতি মেনে কাজ শুরু হয়ছে। নতুন বিজ্ঞাপন নীতি বাস্তবায়নের পর তার ফলও মিলল হাতেনাতে। একটি ছোট্ট বিজ্ঞাপন জোন নিলাম করেই পুর কোষাগারে ঢুকল বিপুল অর্থ। পাশাপশি সেই জোন ধীরে ধীরে দৃশ্য দূষণও মুক্ত হচ্ছে। শেক্সপিয়ার সরণী, ক্যামক স্ট্রিট, পার্ক স্ট্রিট এই জোন টেন্ডার করে এত দিন কোষাগারে এসেছিল ৫ কোটি। গত বছর নিলাম করায় এক বছরে কলকাতা কর্পোরেশনের কোষাগারে এসেছে ১৬ কোটি টাকার বেশি। ই-নিলামের মাধ্যমে ভিন রাজ্যের একটি বিজ্ঞাপন সংস্থা এই জোন নিলামে নিয়েছে।

কলকাতা কর্পোরেশন সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরের বিভিন্ন বিজ্ঞাপন জোনগুলির মধ্যে সব থেকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন জোন হতে চলেছে এইটা। বর্তমানে এই জোনে ৩৩-৩৫ হাজার বর্গফুটের হোর্ডিং আছে। ধাপে ধাপে কমে সেটা ১৫-১৮ হাজার বর্গ ফুট হবে। প্রায় অর্ধেক জায়গা উন্মুক্ত হবে। এলাকার দৃশ্যমানতা বাড়বে। হোর্ডিং বিজ্ঞানী দৃশ্য দূষণে এইভাবে ধাপে ধাপে লাগাম লাগবে। এই প্রথম কলকাতা কর্পোরেশন বিজ্ঞাপনী জোন ই-নিলাম করল। এত দিন টেন্ডার ডাকা হতো। নিলাম শেষে চুক্তিও হয়েছে ভিন রাজ্যের সেই সংস্থার সঙ্গে। কোম্পানিটি তাদের সুবিধা মতো হোর্ডিং কাঠামো রাখবে, প্রয়োজনে স্থান পরিবর্তন বা খুলে ফেলতে পারবে।
এই জোন থেকে কলকাতা কর্পোরেশন অতীতে বছরে আয় করেছে ৪-৫ কোটি টাকা। তবে এই নিলামের ফলে ১৫-১৬ কোটি টাকার বেশি আয় হবে। শুধু তাই নয়, নিয়ম মতো প্রতি তিন বছর বাদে বাদে ৫ শতাংশ দর বৃদ্ধি পাবে। তবে নতুন নীতিতে কাঠামোয় এক দিকে বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হবে দুই দিকে নয়। সংস্থা মনে করলে আরও এলইডি প্যানেল বসাতে পারে। তবে তার জন্য কলকাতা কর্পোরেশনকে অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে।

