আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে ফের মোদিকে নিশানা কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর
বেস্ট কলকাতা নিউজ : ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে ফের সুর চড়ালেন রাহুল গান্ধী। শুক্রবার কংগ্রেস সাংসদের তোপ, ভারত বহু কিছু দিয়েও যৎসামান্য পেতে চলেছে। তাহলে কেন চুক্তিতে রাজি হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি? কেন এমন অমর্যাদার আত্মসমর্পণ করলেন তিনি? উত্তর হল, আষ্টেপিষ্টে জড়িয়ে গিয়ে দমবন্ধ দশা তাঁর। লোকসভার বিরোধী দলনেতার দাবি, এই চুক্তির ফলে ভারত ‘ডেটা উপনিবেশে’ পরিণত হতে চলেছে।

সংসদে নিজের সাম্প্রতিক ভাষণে প্রধানমন্ত্রীকে বিঁধতে গিয়ে জিউ-জিৎসু নামে এক জাপানি খেলাকে উপমা হিসাবে তুলে ধরেছিলেন রাহুল। এদিন এক্স হ্যান্ডলে সেই ভিডিও পোস্ট করে তাঁর প্রশ্ন, আমেরিকানদের খুশি করতে কেন আমাদের কৃষকদের ক্ষতির মুখে ঠেলে দেওয়া হল? আমরা কোথা থেকে তেল কিনব, তা আমেরিকা বলে দেবে কেন? কেন আমাদের জ্বালানি ক্ষেত্রের নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করা হল? পালটা কোনও প্রতিশ্রুতি ছাড়াই কেন আমেরিকা থেকে বছরে ১০ হাজার কোটি ডলারের আমদানির শর্তে রাজি হতে হল? জিউ-জিৎসুতেও প্রতিপক্ষকে নিয়ন্ত্রণে এনে আষ্টেপিষ্টে জড়িয়ে দমবন্ধ করা হয় । রাজনীতির ময়দানেও এরকমই হয়। কিন্তু রাজনৈতিক প্যাঁচ ও দমবন্ধ দশা মূলত অলক্ষ্যে চলে। কোথা থেকে সেই চাপ আসছে, তা ভালো করে লক্ষ্য করতে হয়। আমাদের প্রধানমন্ত্রী কী পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন, তা জোরালোভাবে আমি তুলে ধরেছি।
এদিকে আমেরিকায় মোদি ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা ও এপস্টাইন ফাইল প্রসঙ্গও ফের তুলেছেন রাহুল। তাঁর দাবি, একদিকে আমাদের সীমান্তে চীনারা বসে (জেনারেল নারাভানের বই প্রসঙ্গে), অন্যদিকে আমেরিকার চাপ। এই সাঁড়াশি চাপে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী। শুধু বাণিজ্য চুক্তি নয়, ডিজিটাল প্রযুক্তি ইস্যুতেও প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরব হয়েছে কংগ্রেস। ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে যোগ দিয়ে একদিন আগেই ভারতের ইউপিআই ব্যবস্থা নিয়ে প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ। এদিন কংগ্রেস নেতা পবন খেরা দাবি করেন, ইউপিআই ব্যবস্থা বাস্তবে ইউপিএ জমানার ফসল। এনিয়ে আযাচিত কৃতিত্ব দাবি করে চলেছেন মোদি।

