গত ৩০ বছর ধরে জ্যোতিষ চর্চা করছেন শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি রাই, “মানুষকে যদি শান্তি দিতে পারি সেটাই আমার আশীর্বাদ” ,এমনটাই জানালেন তিনি

বাংলার খবর | বেস্ট কলকাতা নিউজ

নিজস্ব সংবাদদাতা: বাবা প্রিয়তোষ ব্যানার্জীর কাছে হাতে ঘড়ি তারপরে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি রাই কে। গত ৩০ বছর ধরে বহু মানুষের সমস্যার সমাধান করে সামনের দিকে এগিয়ে চলেছেন শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি রাই। তিনি জানান তার বাবা প্রিয়তোষ ব্যানার্জিকে দেখেই তার হাতে খড়ি হয়। জ্যোতিষ চর্চা দিয়ে তার আগ্রহ ছিল বলে জানালেন তিনি, জ্যোতিষ চর্চা করা তো সহজ কথা নয়, প্রচুর পড়াশোনা করতে হয়। অনেকের ধারণা আছে এমনি এমনি জ্যোতিষী হওয়া যায়, কিন্তু এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা । জ্যোতিষ চর্চা করতে হলে দিনের পর দিন পড়াশোনা করে যেতে হয়। আস্তে আস্তে যদি শিখতে পারা যায় তবেই হয়তো একটা জায়গায় পৌঁছানো যায়, জানালেন শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি রাই।

তিনি আরো জানান আমার বাবা প্রিয়তোষ ব্যানার্জি খুব উঁচু মানের অ্যাস্ট্রলজার ছিলেন। তিনি অনেক কিছু বুঝতে পারতেন, অনেক কিছু জানতেন। তার কাছ থেকে আমার অনেক কিছু শেখা। আস্তে আস্তে এই ব্যাপারটা আমি বুঝতে পেরেছি। আমার কাছে বহু নামকরা ব্যক্তিত্ব এসেছেন, পবন চামলিং এবং অজিত পাজার মত ব্যক্তিত্বরাও। তারা আমাকে আশীর্বাদ করে গেছেন, এছাড়া অনেক নামকরা মানুষ আমার কাছে আসেন তাদের সমস্যার সমাধান করতে। আমি একজন জ্যোতিষী হিসাবে না করে বন্ধু হিসাবে সমস্যার সমাধান করতে তাদের পাশে দাঁড়াই। যতদিন আমার মন চাইবে, যতদিন আমি বুঝতে পারব আমি পারছি, ততদিন আমি মানুষের সেবা করে যাব। এমনটাই জানালেন শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি রাই।

তিনি এও জানান আমার কাজে যদি কারো উপকার হয় তবে সেটাই হবে আমার কাছে অনেক অনেক বড় আশীর্বাদ। আমি নিজেও মনে করি শুধুমাত্র জ্যোতিষ চর্চা করলে হবে না, সেটা করে মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে হবে। তাতে যদি সময় লাগে লাগুক। জ্যোতিষ চর্চা অত সহজ কথা নয়, তাই আমি মনে করি এই কাজ করতে গেলে সংযমী হওয়া প্রয়োজন। শান্ত মনে জ্যোতিষ চর্চা করলে সাফল্য আসবেই। তবে সবার আগে প্রয়োজন ঈশ্বরের আশীর্বাদ, সেটা যদি পাওয়া যায় আর কোন কিছুর দরকার হবে না বলেও জানালেন শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি রাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *