মিড ডে মিলে দায়িত্ব তার কাঁধে ,”বাচ্চাদের খেতে দেখে আমি তৃপ্তি পাই” এমনটাই জানালেন শিলিগুড়ির কাউন্সিলর শ্রাবণী দত্ত
শিলিগুড়ি : শিলিগুড়িতে এমএমআইসি পদের অন্যতম দায়িত্বে আছেন শ্রাবণী দত্ত। বাচ্চাদের মিড ডে মিলের দায়িত্ব তার উপরে। দায়িত্ব পেয়ে ছুটে চলেছেন তিনি। একই স্কুল থেকে অন্য স্কুলে, আমি যখন বসে দেখি বাচ্চারা লাইন দিয়ে মিড ডে মিলের খাওয়ার নিচ্ছে , ওর থেকে আনন্দ আর কিছু নেই অন্তত আমার কাছে, জানালেন শ্রাবণী দত্ত। এইসব এইসব স্কুলে যেসব বাচ্চারা পড়তে আসে তারা আর্থিক দিক দিয়ে খুব একটা সচ্ছল থাকে না।

দুপুরের খাবার অনেক ওদের অনেকটাই আনন্দ দেয়। আমি যখন দায়িত্ব পেয়েছি একটা জিনিসই ঠিক করে রেখেছিলাম ওরা যেন বঞ্চিত না হয় , এই ছোট ছোট বাচ্চাদের হাসিমুখ দেখে আমার তৃপ্তি আসে। পড়াশোনার পরে যদি খাবারের ব্যবস্থা ঠিকমতো থাকে তবে ওরা রোজ পড়তে আসবে। স্কুলে আসবে। মিড ডে মিল এর দায়িত্ব যখন আমি পাই তখন একটা জিনিসই আমি ভেবেছিলাম যাতে ওরা খাওয়া ঠিকমতো খেতে পায়, একটা বা দুটো পথ থাকা খারাপ না, কিন্তু সেই রান্না গুলো যাতে ভালো হয় বিশেষ করে ওদের জন্য ভাল হয়। মিড ডে মিল মানে বাচ্চাদের জন্য কিছু করা, আমি যখন বসে বসে দেখি ওরা লাইন দিয়ে, খাওয়ার নিচ্ছে তখন আমার মনে হয় আমি কিছুটা হলেও সফল হতে পেরেছি। আমার কাজ ওদের মুখে হাসি ফোটানো, বাচ্চারা খুশি হলেই আমি খুশি জানালেন শ্রাবণী দত্ত।
তিনি আরও বলেন শিলিগুড়িতে মিড ডে মিলের দায়িত্ব আমি পাওয়ায় আমার ওয়ার্ডের মানুষও খুশি হয়েছেন। আমার ওয়ার্ডেও দুটো স্কুল আছে। সেইসব স্কুলের বাচ্চাদের ভালো মিড ডে মিল দেওয়া দায়িত্ব আমার। ছোট ছোট বাচ্চাদের আনন্দ দেওয়া , একটা বিশাল জয়। বাচ্চারা কি খেতে ভালোবাসে আমি ভালোভাবেই জানি, যদিও নিয়মের বাইরে গিয়ে তো ওদের তা দেওয়া সম্ভব নয়, তবুও আমি চেষ্টা করে যাই যাতে ওদের মুখে হাসি থাকে। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব সময় মানুষের পাশে এবং মানুষের কাছে থাকেন, উনি সব সময় বলে এসেছেন বাংলার কোন বাচ্চা যাতে বঞ্চিত না হয়। তাই এই মিড ডে মিলের দায়িত্ব আমার কাছে প্রচন্ডভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে জানালেন শিলিগুড়ি ১৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং এমএমআইসি শ্রাবণী দত্ত। ২০১৫ সাল থেকে কাউন্সিলর আমি ভালোভাবেই জানে মানুষের কি কি দরকার, আর যেদিন থেকে আমি মিড ডে মিলের দায়িত্ব পেয়েছি আমি চেষ্টা করছি স্বাভাবিকভাবেই সমস্ত কাজ দায়িত্ব নিয়ে সম্পূর্ণ করতে। আমি সফল না ব্যর্থ সেটা তো মানুষ বলবে। তবুও ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর বাইরে এই যে মিড ডে মিল এর কাজ , আমাকে অন্যভাবে অন্যরকম অনুভূতি দিয়ে এসেছে। যতদিন আমি এই দায়িত্বে থাকবো কোন বাচ্চা বঞ্চিত হবে না, আমার সাধ্যের মতো চেষ্টা করে যাবো বলেও জানান শ্রাবণী দত্ত। এই কাজ আমার কাছে একটা অন্য ধরনের অনুভূতি, আর শিশুদের জন্য কাজ করা তো একটা আলাদা ব্যাপার। তাও সেটা যদি খাবারের হয়, মনে মনে ভেবেছি আমার এই দায়িত্ব আমি যথাযথভাবে পালন করে যাব তবে আমি বুঝবো আমি সফল হতে পেরেছি।