গ্রামোন্নয়ন বাজেটে আলোচনায় রাজি কেন্দ্র, মনরেগার বকেয়া নিয়ে সরব হতে চলেছে তৃণমূল শিবির

বাংলার খবর | বেস্ট কলকাতা নিউজ

বেস্ট কলকাতা নিউজ : আলোচনা করতে হবে গ্রামোন্নয়ন, বাণিজ্য এবং বিদেশ মন্ত্রকের বাজেট বরাদ্দ নিয়ে। এমনটাই দাবি ছিল তামাম বিরোধীদের। কিন্তু নারাজ সরকার। তারা জানিয়েছে, গ্রামোন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হলেও বাকি দু’টি হবে না। তার পরিবর্তে পরিবেশ মন্ত্রকের বরাদ্দ নিয়ে আলোচনা হোক। এই তর্ক-বিতর্কেই শুক্রবার শেষ হল বাজেট অধিবেশনের প্রথম পর্ব। ফের বসবে ৯ মার্চ। বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বে আলোচনা হবে এক একটি মন্ত্রকের বাজেট বরাদ্দ নিয়ে। সেইসব আলোচনা শেষেই পাশ হবে ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেট।

কী কী বিষয়ে আলোচনা হবে, তা নিয়ে রাজ্যসভার বিরোধী দলগুলিকে নিয়ে গত বৃবস্পতিবার বৈঠকে বসেছিল সরকার। রাজনৈতিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই বৈঠকে কংগ্রেস, তৃণমূল, সমাজবাদী পার্টি, ডিএমকে, আম আদমি পার্টি, সিপিএম, সিপিআই, জেএমএম, (শারদপন্থী) এনসিপি তো বটেই, এমনকী কোনোপক্ষেই না থাকা ওড়িশার বিজেডি এবং অন্ধ্রপ্রদেশের দল ওয়াইএসআরসিপি’ও দাবি করেছে বাণিজ্য এবং বিদেশ নিয়ে আলোচনা করতে হবে। কিন্তু সেই দাবি মানতে রাজি নয় কেন্দ্র সরকার।

তবে গ্রামোন্নয়ন নিয়ে সরকার আলোচনায় রাজি। তাই বিরোধীদের পরিকল্পনা, মনরেগাকে বাতিল করে আনা ভিবি-জি রাম জি আইনের সমালোচনায় সরকারকে কোণঠাসা করা। এর মুখ্য উদ্দেশ্য অবশ্যই বাংলা। সামনেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোট। আর ২০২২ সাল থেকে বাংলায় মনরেগার কাজ বন্ধ। নানা অছিলায় গরিব শ্রমিকদের পারিশ্রমিকও মোদি সরকার আটকে রেখেছে বলেই তৃণমূলের অভিযোগ। তাই মার্চে বাজেটের দ্বিতীয় পর্বে মন্ত্রকের আলোচনায় অংশ নিয়ে তৃণমূল এ ব্যাপারে বিজেপিকে চেপে ধরবে বলেই ঠিক করেছে।

একইসঙ্গে তাদের প্রশ্ন, বাজেট বক্তৃতায় কেন সংখ্যালঘুদের সম্পর্কে কিছুই বলেননি অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন? এ ব্যাপারে রা঩জ্যসভায় সরবও হয়েছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন। তিনি বলেছেন, সংখ্যালঘুদের কি ঘৃণা করে মোদি সরকার? নাহলে কেন ২ হাজার ১০০টি খ্রিস্টান প্রতিষ্ঠানের বিদেশি অনুদান (এফসিআরএ) বন্ধ? গত এক বছর ন্যাশনাল মাইরিটি কমিশনের কোনো চেয়ারপার্সন নেই। কোনো সদস্যও নেই। ডেরেকের সওয়াল, খ্রিস্টান প্রতিষ্ঠান হলেও সেখানে ৭৬ শতাংশ শিক্ষার্থী অন্য ধর্মের। হিন্দুও রয়েছে। তাহলে সংখ্যালঘুকে ‘জব্দ’ করার নামে আদতে কাদের উপর কষাঘাত করছে মোদি সরকার? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের ‘যুবসাথী’র ম঩তোই যুব সমাজের জন্য ‘ইউনিভার্সাল মিনিমাম ন্যাশনাল অ্যানুয়াল গ্যারান্টি (উমঙ্গ)’ চালুর দাবি করেছেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *