পদ হারানোর কষ্ট আমার নেই, আমি শুধু কাজ করে যেতে চাই – মেয়র পারিষ পদ নিয়ে এমনটাই জানালেন শিলিগুড়ির কাউন্সিলার শ্রাবণী দত্ত

বাংলার খবর | বেস্ট কলকাতা নিউজ

শিলিগুড়ি : মেয়র পারিষদ এর পদ নিয়ে আমি চিন্তা করি না। মানুষের ভালোবাসা এবং সমর্থন নিয়ে আমি এই জায়গায় এসেছি। আমি শুধু কাজ করে যেতে চাই, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে মানুষের পাশে থাকেন সেভাবেই আমি থাকতে চাই। মেয়র পরিষদ পদ চলে যাওয়ায় বিন্দুমাত্রা দুঃখিত নই আমি, আমি একটা কথাই বলবো আমি কাজ করছিলাম, আমাকে সরানো এবং কি কারনে সরানো হলো এটা বুঝতে না পারলেও আমি একটা কথা বুঝে গেছি কাজ যদি করে যেতে পারি মানুষের জন্য তাহলে অনেক অনেক পদের থেকেও সেটা গৌরবের হবে। জানালেন শ্রাবণী দত্ত, শিলিগুড়ি পুরসভার সবচেয়ে পুরনো মহিলা কাউন্সিলর আমি অনেক কষ্ট করে, ত্যাগ স্বীকার করে ধৈর্য ধরে আমি এই জায়গায় এসেছি। একটা সামান্য ঘটনা বিচলিত করবে আমাকে? শ্রাবণী দত্ত সেই ধরনের মানসিকতায় তৈরি হয়নি। আমার একটাই কাজ মানুষের সমস্যা সমাধান করে যাওয়া। আর আমি সেই দীক্ষায় দীক্ষিত। বর্তমানে এস আই আর এর কাজ চলছে, আর প্রায় দিনের অধিকাংশ সময় তিনি বসে আছেন, অথবা বসে থাকছেন নিজের ওয়ার্ড অফিসে।

এদিকে তিনি এও জানান নাগরিকত্ব নিয়ে চিন্তিত অনেকেই, অনেকে বুঝতে পারছেন না কিভাবে আবেদনপত্র পূরণ করবেন, সে জায়গাতে আমি যদি তাদের নিশ্চিত করতে পারি তবে সেটা আমার কাছে অনেক অনেক বড় পাওনা। মেয়র পারিষদ পদ আমার কাছে বড় কিছু নয় বড় সেটাই ছিল যে দায়িত্ব আমার উপর ছিল, এবং আমার বিশ্বাস আমি সেই দায়িত্ব ভালোভাবেই পালন করছিলাম। আমি তৃণমূল কংগ্রেসের একজন সামান্য সৈনিক। কাজ করে যেতে চাই, ফলের আশা করি না। তাই এত আঘাত আমাকে বিচলিত করে না বিব্রত করে না। শ্রাবণী দত্ত অন্য ধাতুতে তৈরি, খুবই সাধারণ কিন্তু শক্তিশালী।

তিনি এও বলেন আমি যখন জানি আমি সত্য তখন আমার চিন্তা কিসের? সারাদিন যদি কাজ করে যাই তবে তো চিন্তা করার সময় থাকবে না। আপাতত এই ভাবেই চলি ,আগামী দিন আমার কাছে ভালো দিন আসবে বলতে পারা যে ভালো দিন হয়ে আসবে। এতটুকু আত্মবিশ্বাস আমার কাছে আছে। কাজের মাধ্যমে অনেক অনেক কিছু পাওয়া যায়, ঈশ্বরের আশীর্বাদে আমি সেই জায়গাটায় আসতে পেরেছি। তাই আমি ভাঙবো না, আমি আবার নিজেকে গড়ে তুলবো শক্তিশালী করব। ভবিষ্যতে আরো নতুন ভাবে আপনারা শ্রাবণী দত্তকে দেখতে পারবেন। এইটুকু কথা আমি আপনাদের দিলাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *