ইউটিউব ভ্লগ দেখিয়ে চলছে ভোটের ট্রেনিং, শুরু হল এক চরম বিতর্ক

বাংলার খবর | বেস্ট কলকাতা নিউজ

বেস্ট কলকাতা নিউজ : এসআইআর নিয়ে সক্রিয়তার পরে পুলিশ আমলা স্তরেও ঢালাও বদলি চালিয়ে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। তবে, যে ভোট নির্বিঘ্নে এবং স্বচ্ছভাবে করার জন্য এতকিছু, তার ট্রেনিংয়ের পদ্ধতিতেই সেভাবে নজর নেই কমিশনের। ট্রেনিংয়ে অংশ নিয়ে এমনই মনে করছেন শিক্ষক ও সরকারি কর্মীরা। ইউটিউবে বিভিন্ন ভ্লগারদের ভিডিয়োর ভরসাতেই চলছে ট্রেনিং। শুধু তাই নয়, প্রশিক্ষকদের অজ্ঞতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন ট্রেনিং নিতে আসা কর্মীরা। এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রশিক্ষণ প্রাপকের বক্তব্য, এখন অডিয়ো ভিজ্যুয়াল কন্টেন্ট শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণের অঙ্গ। বিভিন্ন সরকারি বা সরকার পোষিত স্বশাসিত সংস্থাই নিজেদের ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে শিক্ষা বা প্রচারমূলক ভিডিয়ো করে থাকে। সেগুলির যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন নেই। তবে, যে কোনো ভ্লগারের ভিডিয়ো দেখিয়ে কেন প্রশিক্ষণ হবে?

আবার আরেকজন কর্মীর বক্তব্য, তাও ভিডিয়ো দেখে কিছুটা অন্তত শেখা যাচ্ছে। যিনি শেখাতে আসছেন, তিনি প্রায় কিছুই বোঝাতে পারছেন না। আগে সাধারণত সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত একটা সেশন থাকত। তারপর আবার দুপুর ২টো থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত তা চলত। এবার টানা সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ট্রেনিং সেশন রাখা হয়েছে। এদিকে, আধঘণ্টার পরেই আর কিছু বলা থাকছে না প্রশিক্ষকদের। ইউটিউবে ভিডিয়ো চালিয়ে দিচ্ছেন। এবার প্রিসাইডিং অফিসারদের যে হ্যান্ডবুক দেওয়া হয়েছে, সেটার প্রচ্ছদে লেখা রয়েছে ২০২৩। সেগুলির বিভিন্ন পাতায় লেখাগুলি পড়ার অযোগ্য। এভাবে দায়সারা ভাবে পুরানো পুস্তিকা বিলি নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *