দ্বিতীয় দফার জন্য নদীপথে রওনা ভোটকর্মীদের, বাস না-পেয়ে বিক্ষোভ দুর্গাপুরে

বাংলার খবর | বেস্ট কলকাতা নিউজ

বেস্ট কলকাতা নিউজ : আজ রাত পোহালেই রাজ্যে ভোটগ্রহণ ৷ কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের ১৪২টি কেন্দ্রে শেষ দফার ভোটের আগে প্রস্তুতিও রয়েছে তুঙ্গে ৷ আজ সকালে ভোটকর্মীদের গন্তব্য ডিসিআরসি ৷ সেখানে গিয়ে তাঁরা ভোটের সমস্ত জিনিস বুঝে নিচ্ছেন । কর্মীরা EVM, VVPAT-সহ যাবতীয় জিনিস নিয়ে কর্মীরা ভোটকেন্দ্রে রওনা দিয়েছেন ৷ এরইমাঝে দুর্গাপুরে উত্তেজনা ছড়াল ৷ DCRC কেন্দ্রে পৌঁছনোর জন্য পর্যাপ্ত বাস না-পাওয়ায় পেয়ে রাস্তায় বসে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন ভোটকর্মীরা ৷ অন্যদিকে, নৌকা ও লঞ্চে করে ভোটের যাবতীয় সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে সুন্দরবনের দুর্গম বুথগুলিতে ।

ভোটকর্মীদের বিক্ষোভ- দুর্গাপুর থেকে প্রায় ৫ হাজার ভোটকর্মীকে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের জন্য নিযুক্ত করা হয়েছে । দুর্গাপুরের সিটি সেন্টার বাস টার্মিনালে বাস না-পেয়ে প্রবল বিক্ষোভ দেখান ভোটকর্মীরা । কীভাবে তাঁরা সময়মতো ডিসিআরসিতে পৌঁছবেন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন ৷

বাসস্ট্যান্ডে উত্তেজনা- এদিন সকালে রাজ্যের অন্যান্য ডিস্ট্রিবিউশন অ্যান্ড কালেকশন রিসিভিং সেন্টার বা ডিসিআরসি থেকে ইভিএম-সহ বিভিন্ন ভোট সামগ্রী নিয়ে জেলায় জেলায় বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের দিকে পৌঁছতে শুরু করেন ভোটের দায়িত্ব পাওয়া কর্মীরা । দায়িত্ব বুঝে নিয়ে ভোটকর্মীদের সঙ্গেই যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও । ডিসিআরসিতে যাওয়ার জন্য এদিন বাসের অপেক্ষা করছিলেন ভোটকর্মীরা । তখনই দুর্গাপুরে সিটি সেন্টার বাসস্ট্যান্ডে ছড়ায় উত্তেজনা ৷

ক্ষুব্ধ ভোটকর্মীরা- দ্বিতীয় দফার বিধানসভা নির্বাচনের জন্য আসানসোল-দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল থেকে মোট ৪ হাজার ৭৮১ জন ভোটকর্মী বিভিন্ন জেলায় নেওয়া হয়েছে । পর্যাপ্ত বাসের অভাবে মঙ্গলবার সকালে দুর্গাপুরের সিটি সেন্টার বাসস্ট্যান্ডে চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয় । অভিযোগ, নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও বহু ভোটকর্মী বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকেন, ফলে ডিসিআরসিতে সময়মতো পৌঁছনো নিয়ে উদ্বেগ ছড়ায় তাঁদের মধ্যে । দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর ক্ষুব্ধ ভোটকর্মীদের একাংশ সিটি সেন্টার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন ।

ভোটকর্মীদের দুশ্চিন্তা- তাঁদের আরো অভিযোগ, হাজার হাজার ভোটকর্মীকে পাঠানোর মতো পর্যাপ্ত পরিবহণের ব্যবস্থা আগে থেকে করা হয়নি ৷ যার ফলে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে সকলকে । এক ক্ষুব্ধ ভোটকর্মী বলেন, “সকাল 9টা পেরিয়ে গিয়েছে, এখনও বুঝতে পারছি না কীভাবে ডিসিআরসিতে পৌঁছব । সেখানে গিয়ে ডিউটি কীভাবে করব, সেটাও জানি না । নির্বাচন কমিশন কী বলবে, সেই নিয়েও দুশ্চিন্তায় রয়েছি ।” কিছুক্ষণ পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং বেশ ক’য়েকটি বাস রওনা দেয় ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *