বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে কলকাতার সব থানা ও ট্রাফিক পুলিশকে তৎপর হওয়ার আবেদন জানালো মেয়র

বাংলার খবর | বেস্ট কলকাতা নিউজ

বেস্ট কলকাতা নিউজ : দিল্লির দূষণের জেরে নাগরিক দুর্ভোগে এখন গোটা দেশ শঙ্কিত। শহর কলকাতার বাতাসের গুণগত মানও খুব ভালো নয়। এই পরিস্থিতিতে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে কোন পথে আরও সক্রিয় হওয়া যায়, কী কী পদক্ষেপ করা যায়, সেই নিয়েই এক বিশেষ বৈঠক হল কলকাতা পুরনিগমে। এদিন এই বৈঠকে নেতৃত্ব দেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। ছিলেন পরিবেশ বিভাগের মেয়র পারিষদ স্বপন সমাদ্দার ও উদ্যান বিভাগের মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার। কলকাতা পুলিশের অ্যাডিশনাল সিপি (৪) শুভঙ্কর সিনহা সরকার। এছাড়াও ছিল বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি এজেন্সি। তবে দূষণ নিয়ে বৈঠকে দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের তরফে কোনও প্রতিনিধি উপস্থিত ছিল না বলেই খবর কর্পোরেশন সূত্রে।

এই বৈঠকেই শহরের বিভিন্ন জায়গায় উনুন জ্বালানো, গাড়ির কালো ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণ, শুকনো পাতা, কাঠ জ্বালানোর মতো বিষয় নিয়ে প্রত্যেক থানাকে ও ট্রাফিক বিভাগকে সক্রিয় হওয়ার আবেদন করেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। এদিকে শীত পড়তেই ধুলোর চাদরে মুড়ে গিয়েছে দিল্লি। এমনকি শ্বাস কষ্ট-সহ নানা সমস্যায় সেখানকার মানুষ গুরুতর ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। অনেককেই হাসপাতালে পর্যন্ত ভর্তি হতে হয়েছে। দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও শ্বাস নেওয়ার দাবি তুলে বিক্ষোভ-আন্দোলন পর্যন্ত হয়েছে দেশের রাজধানী শহরে। তবে দেশের পুরনো রাজধানী শহর কলকাতার পরিণতিও দিল্লির মতো হতে খুব একটা দীর্ঘ সময় লাগবে না। সেই অশনি সঙ্কেত দিচ্ছে নানা সময় সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলির করা সমীক্ষা।

সেই পরিণতি থেকে শহর কলকাতাকে রক্ষা করতে এবার তৎপর হল পুর-প্রশাসন। কর্তৃপক্ষ খানিকটা নড়ে বসল। এদিন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের নেতৃত্বে বৈঠক হয়। বৈঠকে ঠান্ডার কারণে বিভিন্ন জায়গায় আগুন পোয়াতে কাঠ, পাতা জ্বালানো, উনুন জ্বালানো, গাড়ির কালো ধোঁয়া – এই বিষয়গুলি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নজরদারি চালিয়ে বন্ধ করতে পুলিশ কর্তাদের নির্দেশ দেন মেয়র। এছাড়াও নির্মাণ স্থল ঘিরে দেওয়া কিংবা যেখানে বেশি ধুলো উৎপন্ন হয়, সেই সব জায়গায় অতিরিক্ত জল ছিটানোর ব্যবস্থা করতে বলা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *