জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল চত্বরে কুকুরের মুখে সদ্যোজাতের দেহাংশ, ব্যাপক শোরগোল পড়লো পরপর দু’দিনের ঘটনায়
বেস্ট কলকাতা নিউজ : পর পর দু’দিন একই ঘটনা ঘটল জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। সদ্যোজাতর দেহাংশ মুখে করে নিয়ে গেল কুকুর। হাসপাতালের মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাব চত্বরের এই ঘটনায় রীতিমতো হইচই পড়ে গিয়েছে। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, গত শনিবার এবং গতকাল (রবিবার) কুকুর মুখে করে নিয়ে আসা দেহ তাদের হাসপাতালের নয়৷ পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে৷ স্বাস্থ্য দফতরও এই বিষয়টি খতিয়ে দেখবে বলে জানিয়েছেন জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়৷

উল্লেখ্য, শনিবার একটি কুকুরকে একটি সদ্যোজাতর দেহাংশ মুখে করে চলে যেতে দেখা যায়৷ হাসপাতালের মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাবের দিক থেকে কুকুরটি ফার্মাসি কলেজের দিকে যখন যাচ্ছিল, তখনই এই বিষয়টি নজরে আসে৷ ঘটনার সময় মাদার অ্যান্ড চাইল্ড হাবে ছিলেন রমা নায়েক নামে এক মহিলা৷ তিনি আরো বলেন, ‘‘আমি হাসপাতালের ভেতর থেকে বাইরে বের হয়েই দেখি কুকুর একটি মাথা মুখে তুলে নিয়ে যাচ্ছে। আমি চিৎকার শুরু করি। আমি হাসপাতালের গার্ডদের ডাকি। আসেপাশেই সবাইকে চিৎকার করে ডাকি কুকুর শিশুর মাথা নিয়ে যাচ্ছে। এরপর কুকুরের পেছনে দৌড়াই।’’ হাসপাতাল চত্বরে কেন এমন ঘটনা ঘটবে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন রমা নায়েক৷ তিনি বলেন, ‘‘আমরা ঘটনার তদন্ত চাই।’’ হাসপাতাল চত্বরে যে পুলিশ ক্যাম্প থাকে, সেখান থেকে পুলিশকর্মীরা যান৷ সেই সময় কুকুর দেহাংশ ফেলে দিয়ে যায়৷ তখন প্লাস্টিক দিয়ে মাথা ঢেকে দেওয়া হয়৷ হাসপাতালের পুলিশকর্মী সুদীপ্ত দাস বলেন, ‘‘একটি কুকুর শিশুর মাথা মুখে নিয়ে আসছিল। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যেভাবে বলেন, সেইভাবেই আমরা কাজ করব।’’

