যাদবপুরে অনিয়মের অভিযোগ উঠলো বাংলাবিভাগে পিএইচ ডি তালিকা ঘিরে
বেস্ট কলকাতা নিউজ : আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে পিএইচ ডি অ্যাডমিশন নিয়ে বিস্তর অভিযোগ উঠেছিল আগে। এবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগেও একই অভিযোগে সরব আবেদনকারীরা। অভিযোগের ধরনও একই। বেছে বেছে এসএফআইয়ের পরিচিত মুখ বা নেতাদের লিস্টে রাখা হয়েছে। বাদ গিয়েছেন যোগ্য প্রার্থীরা। এমনও অভিযোগ, বিশ্বভারতীতে ছ-মাস আগে গবেষণা শুরু করা এক প্রার্থীও আবেদন করেছিলেন বিষয়টি গোপন রেখে। তাঁর নামও উঠেছে। উপাচার্যের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন প্রার্থীরা।

অভিযোগের শেষ নেই। ওবিসি, ইডব্লুএস প্রভৃতি সংরক্ষণের নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে, এমনকি, স্রেফ দু-একজন অধ্যাপক ইচ্ছামতো প্রিয়পাত্রদের বেছে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। সুলেখা দাস নামে একজন ইডব্লুএস প্রার্থী দাবি তুলেছেন, স্বচ্ছতা রাখতে সবার নেট, সেট এবং ইন্টারভিউয়ে প্রাপ্ত স্কোর প্রকাশ করা হোক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক প্রার্থী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন এসএফআই নেতা, বর্তমানে ডিওয়াইএফআইয়ে থাকা এক প্রার্থী, একটি ফ্যাকাল্টির এসএফআই ইউনিটের দায়িত্বে থাকা এক প্রার্থীর নাম রয়েছে। স্রেফ রাজনীতির রং দেখেই তাঁদের নেওয়া হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে যাদবপুরের এক অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপকও পিএইচ ডিতে তাঁর মেয়ের বঞ্চনা নিয়ে সরব হয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাঁর অভিযোগের আঙুল প্রাক্তন সহকর্মীদের দিকেই। অনেকেই বলছেন, এই ঘটনায় প্রমাণ হয়, পিএইচ ডি-তে স্বজনপোষণ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। প্রসঙ্গত, এর আগে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে এক প্রাক্তন এসএফআই নেতাকে পিএইচ ডি-র সুযোগ দেওয়ার জন্য অন্য এক যোগ্য প্রার্থীকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। পরে নতুন করে তালিকা প্রকাশে বাধ্য হয় সংশ্লিষ্ট বিভাগ।যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য অবশ্য প্রার্থীদের অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ।

