শ্বাসনালীতে আটকে ছিল খেলনার টুকরো, ৮ মাসের শিশুর জীবনরক্ষা হল কলকাতার সরকারি হাসপাতালে

বাংলার খবর | বেস্ট কলকাতা নিউজ

বেস্ট কলকাতা নিউজ : আবারও নজির গড়ল কলকাতার সরকারি হাসপাতাল । শ্বাসনালীতে আটকে থাকা খেলনার টুকরো বের করে আট মাসের শিশুকে নতুন জীবন দিল নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল ।শ্বাসকষ্টের সঙ্গে ক্রমাগত কাশিতে কষ্ট পাচ্ছিল একরত্তি ৷ এছাড়াও প্রতিদিন খাওয়াতে অসুবিধা দেখা দেওয়ায় শিশুটিকে দ্রুত হাসপাতালে আনা হয় । প্রাথমিক শারীরিক পরীক্ষার পাশাপাশি এক্স-রে করা হয় । সেখানে শ্বাসনালীর ডানদিকের অংশে সমস্যা ধরা পড়লে পরবর্তী ধাপে এইচআরসিটি থোরাক্স করানো হয় । সেই রিপোর্টে স্পষ্ট দেখা যায়, খেলনার একটি ক্ষুদ্র বস্তু ডান মেইনস্টেম ব্রঙ্কাসে আটকে রয়েছে এবং তার ফলে ডানদিকের লোয়ার লোব সম্পূর্ণভাবে ধ্বসে পড়েছে । পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল হওয়ায় চিকিৎসক দল তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেন জরুরি ব্রঙ্কোস্কপির ।

শিশুটির বয়স কম হওয়ায় অ্যানেস্থেশিয়া থেকে শুরু করে অস্ত্রোপচার—সবটাই ছিল ঝুঁকিপূর্ণ । জেনারেল অ্যানেস্থেশিয়ার অধীনে রিজিড ব্রঙ্কোস্কপি শুরু করেন ইন্টারভেনশনাল পালমোনোলজি, ইএনটি, অ্যানেস্থেশিয়া ও রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের বিশেষজ্ঞরা । ব্রঙ্কোস্কপির মাধ্যমে শ্বাসনালীর ভিতরের অংশ স্পষ্টভাবে দেখা যায় ৷ সেখানে খেলনার ভাঙা বাল্ব-জাতীয় অংশটি সঠিকভাবে শনাক্ত করেন চিকিৎসকরা । পরবর্তী ধাপে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে বস্তুটি অপসারণ করা হয় । পুরো প্রক্রিয়াজুড়েই শিশুটির শ্বাসপ্রশ্বাস, হার্ট রেট এবং অক্সিজেন স্যাচুরেশন স্থিতিশীল রাখতে অ্যানেস্থেশিয়া টিম বিশেষ ভূমিকা পালন করে ।

অস্ত্রোপচার শেষে শিশুটি দ্রুত স্থিতিশীল হয়ে ওঠে এবং তাকে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে পর্যবেক্ষণে রাখা হয় । অপারেশনের পর তাকে হেমোডাইনামিক্যালি সম্পূর্ণ স্থিতিশীল পাওয়া যায়, যা এই জটিল প্রক্রিয়ার সফলতা আরও ত্বরান্বিত করে । চিকিৎসকদের মতে, শ্বাসনালীতে খেলনার বস্তু প্রবেশ শিশুদের ক্ষেত্রে কোনও অংশেই অস্বাভাবিক নয় ৷ তবে বেশিরভাগ সময়ই এটি বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করে । সঠিক সময়ে হাসপাতালে পৌঁছনো এবং অভিজ্ঞ টিমের উপস্থিতি এই শিশুটির জীবনরক্ষার ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে । এদিকে এই পুরো অভিযানে নেতৃত্ব দেন প্রফেসর ডঃ সুমন্ত কুমার দত্ত ও ইএনটি টিম, প্রফেসর ডঃ জয়দীপ দেব এবং রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগ, সঙ্গে ছিলেন ডঃ অনিন্দ্য মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন অ্যানেস্থেশিয়া টিম । তাঁদের সমন্বিত প্রচেষ্টা, অভিজ্ঞতা ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর চিকিৎসা ব্যবস্থাই এই জটিল কেসটিকে সফলতার দিকে নিয়ে যায় ।

এমনকি অস্ত্রোপচার শেষে শিশুটি দ্রুত স্থিতিশীল হয়ে ওঠে এবং তাকে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে পর্যবেক্ষণে রাখা হয় । অপারেশনের পর তাকে হেমোডাইনামিক্যালি সম্পূর্ণ স্থিতিশীল পাওয়া যায়, যা এই জটিল প্রক্রিয়ার সফলতা আরও ত্বরান্বিত করে । চিকিৎসকদের মতে, শ্বাসনালীতে খেলনার বস্তু প্রবেশ শিশুদের ক্ষেত্রে কোনও অংশেই অস্বাভাবিক নয় ৷ তবে বেশিরভাগ সময়ই এটি বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করে । সঠিক সময়ে হাসপাতালে পৌঁছনো এবং অভিজ্ঞ টিমের উপস্থিতি এই শিশুটির জীবনরক্ষার ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে ।

এই পুরো অভিযানে নেতৃত্ব দেন প্রফেসর ডঃ সুমন্ত কুমার দত্ত ও ইএনটি টিম, প্রফেসর ডঃ জয়দীপ দেব এবং রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগ, সঙ্গে ছিলেন ডঃ অনিন্দ্য মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন অ্যানেস্থেশিয়া টিম । তাঁদের সমন্বিত প্রচেষ্টা, অভিজ্ঞতা ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর চিকিৎসা ব্যবস্থাই এই জটিল কেসটিকে সফলতার দিকে নিয়ে যায় । চিকিৎসকদের দাবি, এই সাফল্য প্রমাণ করে যে এন.আর.এস. মেডিক্যাল কলেজের ইন্টারভেনশনাল পালমোনোলজি ইউনিট শিশুদের শ্বাসনালীর জটিল সমস্যার সমাধানে দেশের অন্যতম অগ্রণী কেন্দ্র হিসেবে নিজস্ব অবস্থান আরও মজবুত করছে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *