বাইরে খরচ লক্ষাধিক টাকা , আসানসোল জেলা হাসপাতাল বিনামূল্যে বহু শিশুর ‘ক্লাবফুট’ নিরাময় করছে গত ১০ বছর ধরে

বাংলার খবর | বেস্ট কলকাতা নিউজ

বেস্ট কলকাতা নিউজ : একসময় সচেতনতার অভাবে মফঃস্বলের মানুষজন যে রোগকে কার্যত ‘অভিশাপ’ বলে চিহ্নিত করত, সেই রোগের চিকিৎসাতেই নজির সৃষ্টি করেছে আসানসোল জেলা হাসপাতাল । জন্মের পরে অনেক শিশু বাঁকা পা নিয়ে জন্মায় । চিকিৎসার পরিভাষায় যাকে বলা হয় ‘ক্লাবফুট’ ।আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পনসেটি মেথডে এই ‘ক্লাব ফুটে’র চিকিৎসা আসানসোল জেলা হাসপাতালে বিনামূল্যে হয় । গত ১০ বছরে প্রায় সাড়ে তিনশো শিশুর বাঁকা এবং বিকৃত পা সোজা করেছে ওই হাসপাতাল । যাদের আর বিশেষভাবে সক্ষমদের জন্য যে শংসাপত্র তা নিতে হয়নি ।

‘ক্লাবফুট’ রোগ আসলে একটি জন্মগত পায়ের বিকৃতি । জন্মের সময় শিশুর এক বা দুই পা ভেতরের দিকে বেঁকে থাকে । সময়মতো চিকিৎসা না-হলে ভবিষ্যতে হাঁটা-চলা ও স্বাভাবিক জীবনযাপনে সমস্যা তৈরি হয় । সারাজীবন ওই বাঁকা পা নিয়েই চলতে হয় তাদের । এই রোগীদের বিশেষভাবে সক্ষম হিসেবেও স্বীকৃতি দেওয়া হয় । কিন্তু আসানসোল জেলা হাসপাতালের অস্থি বিভাগের চিকিৎসকদের চ্যালেঞ্জ ছিল, জন্মের পর ‘ক্লাবফুটে’ আক্রান্ত শিশুদের বিশেষভাবে সক্ষম শংসাপত্র নয়, বরং সঠিক চিকিৎসায় তাদের ফেরাতে হবে স্বাভাবিক জীবনে । আসানসোল জেলা হাসপাতাল অর্থোপেডিক সার্জন নির্ঝর মাজি বলেন, “প্রতি হাজার নবজাতকের মধ্যে অন্তত ১–২ জন এই সমস্যায় আক্রান্ত হয় । পনসেটি মেথডেই আসানসোল জেলা হাসপাতালে এই রোগের চিকিৎসা চলছে গত ১০ বছর ধরে ।”অর্থোপেডিক সার্জন নির্ঝর মাজি বলেন, “এক্ষেত্রে ছোট শিশুর পায়ে বারবার প্লাস্টার করা বেশ কঠিন কাজ । কিন্তু তা সত্ত্বেও এই পদ্ধতিতে প্লাস্টার করতেই হবে । সেক্ষেত্রে বাবা-মায়েরও একটা দায়িত্ব থাকে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *