এক বিস্তর অভিযোগ রয়েছে ডোমকল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়ে , বিকল হয়ে আছে বহু যন্ত্রপাতিও
বেস্ট কলকাতা নিউজ : বিকল স্মোক ডিটেক্টর। গোলযোগ রয়েছে ধোঁয়া নিষ্কাশন ব্যবস্থাতেও। অভিযোগ উঠেছে ডোমকল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের অগ্নি নিরোধক একাধিক ডিভাইস নিয়েও। প্রশ্ন উঠছে, জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে তা কীভাবে সামাল দেবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।এই হাসপাতালে প্রতিদিন ডোমকল মহকুমা ছাড়াও নদীয়ার একাংশ থেকেও শ’য়ে শ’য়ে রোগী চিকিৎসার জন্য ভিড় জমান। সেই হাসপাতালেরই অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
দমকল সূত্রের দাবি, অগ্নিনির্বাপণের জন্য লাগানো বহু যন্ত্র অচল অবস্থায় রয়েছে। সূত্রের দাবি, হাসপাতালের স্মোক ডিটেক্টর কাজ করছে না। মঙ্গলবার রাতে হাসপাতালে ধোঁয়া বেরতে শুরু করলেও সেটি কাজ করেনি বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালের ধোঁয়া নিষ্কাশন ব্যবস্থাতেও। ওই রাতে ঘরের ভিতরে জমে থাকা ধোঁয়া বের করতে শেষপর্যন্ত টেবিল ফ্যানের সাহায্য নিতে হয়েছিল হাসপাতাল কর্মীদের। শুধু তাই নয়, হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গায় যেখানে অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডার থাকার কথা, সেখানেও বেশ কয়েকটি জায়গায় তা দেখা যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রাতে শর্ট সার্কিটের জেরে হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ড থেকে ধোঁয়া বেরতে শুরু করে। মুহূর্তের মধ্যেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে হাসপাতালজুড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল। পরে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখেন দমকল আধিকারিকরা। অভিযোগ, এর আগেও হাসপাতালের ভিতরে এ ধরনের ছোটখাটো ঘটনা ঘটেছে। তাতেই প্রশ্ন উঠছে, একাধিকবার এমন ঘটনা সামনে আসার পরও কেন অগ্নিনিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে না? হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এই উদাসীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে।
এদিকে ডোমকলের দমকল কেন্দ্রের ওসি অমর পাল বলেন, হাসপাতালের স্মোক ডিটেক্টর ঠিক নেই। পাশাপাশি ধোঁয়া নিষ্কাশনের ব্যবস্থাতেও সমস্যা রয়েছে। বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানিয়েছি। তবে যেহেতু এটি সরকারি প্রতিষ্ঠান, তাই আমাদের পক্ষ থেকে সরাসরি খুব বেশি কিছু করার থাকে না। যদিও হাসপাতালের অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার সন্দীপ দাস বলেন, মঙ্গলবার আগুন লাগেনি। শর্ট সার্কিটের জেরে কিছুটা ধোঁয়া তৈরি হয়েছিল। অগ্নিনিরাপত্তা নিয়ে যেটা বলছেন, সেটা দমকল তাঁদের পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে হয়তো বলেছে।

