জলের এক চরম সঙ্কট ঝাড়গ্রামে , ট্যাঙ্ক পাঠিয়ে সমাধানের চেষ্টা জনস্বাস্থ্য কারিগরী দপ্তরের তরফে

বাংলার খবর | বেস্ট কলকাতা নিউজ

বেস্ট কলকাতা নিউজ : গরম পড়তেই ভূগর্ভস্থ জলস্তর নেমে গেলো ঝাড়গ্রামে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় জলের সঙ্কট দেখা দিচ্ছে।পাতকুয়োর জল শুকিয়ে গিয়েছে। টিউবওয়েল থেকেও জল বেরোচ্ছে না। পরিস্থিতি সামলাতে অবশেষে গ্ৰামে, গ্ৰামে পানীয় জলের ট্যাঙ্ক পাঠানো হচ্ছে জনস্বাস্থ্য কারিগরী দপ্তরের তরফে। ঝাড়গ্রাম মূলত শুখা প্রবণ এলাকা।গরম পড়লেই চরম জলের সঙ্কট দেখা দেয়।e জেলা জনস্বাস্থ্য কারিগরী দপ্তর বাড়ি, বাড়ি জলের সংযোগ করার কাজ করছে। জেলার বাসিন্দাদের বড় একটি অংশ টিউবওয়েলের উপরই নির্ভরশীল।গরমে অধিকাংশ টিউবওয়েলে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল মিলছে না।

বেলপাহাড়ীর গোন্ডাপাল, বিদরী, কুচিরাপাহাড়ী ,খয়রাশুলি এলাকায় তীব্র জলের সঙ্কট দেখা দিয়েছে।জামবনীর পড়িহাটী, চিচিড়া পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় জলের সঙ্কট দেখা দিয়েছে।জেলার জনস্বাস্থ্য কারিগরী দপ্তর ট্যাঙ্কে করে শুখা এলাকায় বাড়ি, বাড়ি জল পৌঁছে দিচ্ছে।পানীয় জল সরবরাহের জন্য চারশোর উপর পাম্প হাউস রয়েছে। বেলপাহাড়ীও জামবনীর বিভিন্ন এলাকায় ৬ টি জলের ট্যাঙ্কে প্রতিদিন দু’বার ২৪ হাজার লিটার পানীয় জল পাঠানো হচ্ছে।

বেলপাহাড়ী পঞ্চায়েত এলাকার গোন্ডাপালের বাসিন্দা সুনীল হেমব্রম বলেন, টিউবওয়েল থেকে পর্যাপ্ত জল মিলছেনা। কুয়োর জলও অনেক নীচে নেমে যাওয়ায় সমস্যা দেখা দিয়েছে।বেলপাহাড়ীর চন্দনপুরের বাসিন্দা শর্মিলা মুর্মু বলেন, গ্ৰামে একটি মাত্র টিউবওয়েল রয়েছে।গরম পড়তেই পর্যাপ্ত জল পাওয়া যাচ্ছেনা ।গ্ৰামে রোজ গাড়ি করে জল আসছে। সেই জল আমরা খাচ্ছি। গ্ৰামে সাব মার্সিবল বসানোর জন্য পঞ্চায়েতে বলা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *